Time is money

Monday, November 30, 2015

If you change your life please see this video z5


ডিএসএলআর ক্যামেরার স্বাদ নিন গুগলের নতুন “ Android M ” ক্যামেরা অ্যাপ ব্যবহার করে। [DsLR+Candy] z5

আসসালামু আলাইকুম। আপনারা সকলে
কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালই আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো গুগলের নতুন “ Android M ” ক্যামেরা অ্যাপ।
সত্যি বলতে আমার কাছে ডিফল্ট ক্যামেরার ইন্টারফেস এতোটাই বাজে লাগে যে বাধ্য হয়ে আমি অন্য ক্যামেরা অ্যাপ ব্যবহার করি। আর এমন অনেক অপশন আছে যেগুলো খুবই দরকারি কিন্তু ডিফল্ট ক্যামেরাতে নেই। তাই আজ আপনাদের অসাধারন একটি ক্যামেরা অ্যাপের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো।
চলুন এক ঝলক দেখে নেয়া যাক কি কি নতুন বা মোডিফাই ফিচার অ্যাড করা হয়ছে “অ্যান্ড্রয়েড এম” ক্যামেরাতে-
১। সবার আগে যে বিষয়টি লক্ষ করবেন সেটি হল এর ফোকাস অ্যানিমেশন।
২। আগের থেকে অনেক গুন দ্রুত আধুনিক HDR অপশন।
৩। পাবেন নতুন অ্যানিমেশন ভিউইং অপশন যখন কোন ইমেজ ফোকাস করবেন।
৪। সর্বশেষ তোলা ছবিটি উপরে ডান পাসে ভিউ হবে (লাইক নোটিফিকেশন)।
৫। পুরনো লো লাইট এবং নরমাল অপশনটি বাতিল করে দেয়া হয়েছে।
৬। সুপার ফাস্ট ছবি তোলার ক্ষমতা সাথে প্রায় জিরো হাং কন্ট্রোল।
upload
এতো এতো প্রশংসা শোনার পর নিশ্চই আপনার এখন ক্যামেরা অ্যাপটি ব্যবহার করতে ইচ্ছে করছে? তবে আর দেরি কেন?  এখনি নিচে দেয়া লিংকে যেয়ে ডাউনলোড করে একবার ট্রাই করে দেখুন। আশা করছি আপনাদের পছন্দ হবে।
ডাউনলোড লিঙ্ক -  Google M Camera.apk - 22.7 MB
কারো কিছু বলার থাকলে বা সমস্যা হলে টিউমেন্ট করুন। তো বন্ধুরা আজ কে এই পর্যন্ত আবার অন্য কোনো দিন হাজির হব অন্য কোনো টিউন নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

এখন প্রতিদিন জিপিতে ১০এমবি ফ্রি নেট চালান z5

Unnamed


আজ আপনাদের সামনে নিয়ে হাজির হয়েছি এমন একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে আপনি প্রতিদিন ১০এমবি ফ্রি ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবেন।

তো আর দেরী কেন।ডাউনলোড করে নিন!
6.9 MB
Download Link

বাড়িতে চোর ঢুকলেই বেজে উঠবে মোবাইল ফোন z5

বাড়িতে
চোর ঢুকলেই বেজে
উঠবে আপনার
মোবাইল ফোন। ফলে
চোরকে পাকরাও
করা যাবে
অনায়াসেই। এমনই
একটি ডিভাইস
উদ্ভাবন করেছেন
রাজশাহীর
কাপাশিয়ার
বাসিন্দা আকুল
হোসেন মিঠু। এর
আগে তিনি বাঁশ
দিয়ে ৭৮৫ বর্গফুট
ঘড়ি তৈরি করে
এলাকায় হৈচৈ
ফেলে দিয়েছিলেন
তিনি। এবার সে
আবিষ্কার করলো
অ্যাডভান্স
সিকিউরিটি
সিস্টেম
ডিভাইসটি। এই
ডিভাইসটি বাসা-
বাড়ির নিরাপত্তা
দেবে। ঘরে
অপরিচিত কেউ
অনুপ্রবেশ করলেই
মোবাইল ফোনের
মাধ্যমে তা জানা
যাবে।
মিঠু জানান,
মাইক্রো
কন্ট্রোলার
প্রোগ্রামিং এর
মাধ্যমে ডিভাইসটি
তৈরি করা হয়েছে।
বাড়িতে যে কোনো
জায়গায়
ডিভাইসটি রাখা
যায়। বাড়ির যে
এরিয়ার নিরাপত্তা
প্রয়োজন সেই
জায়গার সেন্সরটি
ইনস্টল করে নিতে
হবে। এতে যে
এলাকা নির্ধারিত
করা আছে তার
মধ্যে আগন্তুক
ব্যক্তি প্রবেশ
করলেই সঙ্গে থাকা
মোবাইলে রিং বেজে
উঠছে। যদি কোনো
কারণে একটি
নম্বর বন্ধ থাকে
সে জন্য ওই
ডিভাইস এক সঙ্গে
পরিবারের ১০টি
নম্বরে ফোন কল
দিতে পারবে।
কেউ বাড়ি থেকে
বেরিয়ে যাওয়ার
সময় ডিভাইসটি
চালু করে যেতে
পারেন। আবার
ডিভাইসটি বন্ধ
করার সময়
প্রতিটিতে
নির্দিষ্ট নম্বর
থাকবে। ওই নম্বরে
ফোন দিলে তা ৩০
সেকেন্ড বন্ধ
থাকবে। ওই সময়ের
মধ্যে ডিভাইসটির
সুইচ অফ করতে
হবে।
সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে
ডিভাইসটি ইনস্টল করে নিলে আইআর
বার্গলার অ্যার্লাম সিস্টেম
হিসেবেও কাজ করবে। বিদ্যুৎ
ছাড়াও এ ডিভাইস
২৪ ঘণ্টা কাজ
করবে। কেউ এ
ডিভাইসের সেন্সর
কেটে ফেললোও তা
কাজ করবে।
ডিভাইসটি মধ্যে
উচ্চ প্রযুক্তি
ব্যবহার করা
হয়েছে।
মিঠু আরো জানান,
প্রথমে ডিভাইসটি
উৎপাদনে ব্যয়
হয়েছে ২০ হাজার
টাকা। তবে
আগামীতে ৩ হাজার
টাকার মধ্যে
মানুষের হাতে
পৌঁছে দেয়ার
চিন্তা করছে।
সোমবার বিকেলে
ডিভাইসটি
আনুষ্ঠানিকভাবে
উদ্বোধন করা হবে।
মিঠু নিজ বাড়িতে
এ ডিভাইসের
উদ্বোধন করবেন।

বিকল্প পথে ফেসবুকে ঢোকা আইনের লঙ্ঘন z5

Unnamed
দেশে বিকল্প পথে যাঁরা ফেসবুকসহ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার
করছেন, তাঁরা আইন লঙ্ঘন করছেন বলে
মন্তব্য করেছেন ডাক ও
টেলিযোগাযোগ
প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তিনি
বলেছেন, বিকল্প ব্যবস্থায় যাঁরা
ফেসবুক
ব্যবহার করছেন, তাঁদের সবারই তথ্য
গোয়েন্দা সংস্থার কাছে আছে।
গোয়েন্দা সংস্থা তাদের কাউকে
কাউকে গ্রেপ্তার করেছে, আবার
অনেককেই করছে না।
আজ রোববার ডাক ও
টেলিযোগাযোগ
মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক অগ্রগতি ও
উন্নয়ন
পর্যালোচনা সভার শুরুতে
সাংবাদিকদের
প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন
তারানা
হালিম।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী
বলেন, ‘ইন্টারনেট সম্পূর্ণ শাটডাউন
(বন্ধ)
না করে ফেসবুক বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে
আমরা চাই না, ইন্টারনেট
সম্পূর্ণভাবে বন্ধ
করতে।’
কবে নাগাদ ফেসবুকসহ অন্যান্য
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম চালু হবে—এ
প্রশ্নের
জবাবে তারানা হালিম বলেন,
‘আমি
আগেও বলেছি, আমাদের মন্ত্রণালয়
হলো
নির্দেশনা বাস্তবায়নকারী।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে
সময়টাকে এগুলো খুলে দেওয়ার জন্য
উপযোগী বলে মনে করবে, সে সময়
এগুলো খুলে দেওয়া হবে। আমাদের
কাছে রাষ্ট্র ও জনগণের নিরাপত্তা
বিধানই হলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একজন
নাগরিকের জীবনও আমাদের কাছে
অনেক বড় বিষয়। জনগণের উচিত
আমাদের
এই কার্যক্রমকে সহযোগিতা করা।’
কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন
বিশেষজ্ঞ
প্রযুক্তি বন্ধ করে নয়, প্রযুক্তি দিয়ে
প্রযুক্তিকে মোকাবিলা করার
পরামর্শ
দিচ্ছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ইউরোপের উন্নত
কয়েকটি রাষ্ট্রও তাদের
জননিরাপত্তার
স্বার্থে শুধু সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমই
নয়, সড়ক যোগাযোগও বন্ধ করে
দিয়েছে,
যেমন—বেলজিয়াম।’
গোয়েন্দা সংস্থা, সরকারের একজন
মন্ত্রীকেও বিকল্প ব্যবস্থায় ফেসবুক
চালাতে দেখা গেছে জানিয়ে
সে
সম্পর্কে প্রশ্ন করেন এক সাংবাদিক।
এটা
আইনের লঙ্ঘন কি না জানতে চাইলে
তারানা হালিম বলেন, ‘আপনারা এই
প্রশ্ন
আমাকে না করে সরাসরি তাঁদেরই
করতে
পারেন। আইন তো সবার জন্যই সমান।
সকলের দায়িত্ব নেওয়ার কথা আমার
নয়।’
তবে এ প্রশ্নের জবাবে ডাক ও
টেলিযোগাযোগ সচিব ফাইজুর
রহমান
চৌধুরী বলেন, গোয়েন্দা
সংস্থাগুলো
তাদের গোয়েন্দাগিরির স্বার্থেই
ফেসবুক খোলা রেখেছে।

আপনার পিসি/ ল্যাপটপ টিকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াইফাই রাউটার ফ্রী তে। z5

কেমন আছেন সবাই ? আশা করি সবাই ভালোই আছেন। এটা আমার প্রথম টিউন, তাই কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।
আজকাল আমরা কম বেশি সবায় জরুরি কাজ মোবাইল বা ট্যাব এ সেরে ফেলি কিন্ত প্রত্যেক ডিভাইসে আলদা করে ইন্টারনেট এর খরচ আমাদের অনেকের পক্ষে চালানো সম্ভব হয় না। তাই আমরা রাউটার এর উপর ভরসা করি। মূল কথায় ফিরে আসি কি ভাবে আপনার ল্যাপটপ টিকে বানাবেন ওয়াইফাই রাউটার ফ্রী তে। তা হল আমাদের  ল্যাপটপ এয়  ওয়াইফায়
রিসিভার রয়েছে, আমরা এইটিকে ওয়াইফাই সেনডার বানাব, এইটাকে হটস্পট ও বলা হয়ে থাকে। মাই ওয়াইফাই রাউটার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে খুব সহজে ওয়াইফাই হটস্পট বানিয়ে ফেলা যাই কোন জামেলা ছাড়া।
ডাউনলোড লিঙ্ক -   এখানে ক্লিক করুন 16.6mb  ।
সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স, এর জন্য কোন ক্রা ক ফাইল কিংবা সিরিয়াল নাম্বারের প্রয়োজন হবে না। সফটওয়্যারটি ইন্সটল করার পর আপনার কাজ হলো আপনার হটস্পটের জন্য একটা নাম এবং পাসওয়ার্ড নির্বাচন করে একটিভেট ফ্রি ওয়াইফাই বাটন প্রেস করা। আসাকরি কোন সমস্যা হবার কারন না আর ব্যবহার করতে কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।
আজ তাহলে এখানেই শেষ করলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।  ভাল থাকবেন,কোন ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন।  আর আমি যেন নিয়মিত এই রকম ভাল টিউন উপহার দিতে পারি সেই জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ হাফেজ।

অাপনার Android ফোনের জন্য ডাউনলোড করে নিন ৬.৭১ ডলারের একটি এপ্স নিন ফ্রী তে যা আপনাকে দেবে এন্ড্রোয়েড এর শ্রেষ্ঠ অভিজ্ঞতা Latest & Paid Version z5

আজকে যে এপ্স টির কথা বলব তার নাম হল 3C Toolbox Pro। এপ্সটির গুগোল প্লে স্টোর মুল্য হল ৬.৭১ ডলার। মানে প্রায় ৫০০ টাকা। তবে আপনাদের এতো টেন্সন নেউয়ার কোন কারন নাই।। আপনারা এপ্সটি ফ্রী ডাউনলোড করতে পারবেন নিচের লিঙ্ক থেকে সম্পর্ন ফ্র‍িতে। তার আগে জেনে নেই এপ্পস টিতে আসলে কি কি অাছে ?
Pro Featuresঃ
Hide any tabs or any menu item
Edit all main screen buttons up-to 4×6 grid
Multi/auto-select, sort apps in apps manager
Multi-select in root explorer
Auto backup updated apps
Continuous, interval and duration of recordings and component states
Download notification icon packs directly from the app
Use force-stop in task manager or auto-task-killer
New app installation manage notification
Create multiple schedules, watchers and profiles
Automatic battery markers and manage multiple batteries
Automatic battery markers and manage multiple batteries
Add a notification shortcut to access any features from status notification
Extra widgets: 2×1 text, 2×1-5×2 graphic, 4×1-1×4 toggles and 4×4 summary
No Ads
What’s New?
Add support for Android 6.0 doze feature
Add mA support for HTC One E
Bug fixes
Some Screenshotঃ

যেভাবে fiverr.com এ মাসে ১০ হাজার থেকে শুরু করে আন লিমিটেড ইনকাম করবেন? এটা বাস্তব আমি নিজে প্রমান। 0 z5

আসসালামু আলায় কুম, বন্ধুরা কেমন আছেন ?
এটা টেকটিউনস এ আমার ১ম টিউন আশা করি আপনাদের ছাত্র জীবনে অনলাইন থেকে আয়ের পথ দেখাতে সক্ষম হব।
আজ আমি কোন ভুমিকা ছাড়াই আপনাদের মাঝে কিছু অনলাইন ইনকামের টিপস নিয়ে আসতে চাই। আমি একজন ফাইভারের সফল ফ্রিল্যান্সার, এবং চাই আপনারাও এখানে আপনাদের অভিজ্ঞতা দিয়ে ভালো মানের আয় করুন। আপনারা ইতিমদ্ধে কমবেশি সবাই ফাইবারের নাম শুনেছেন। পৃথিবীতে যত মার্কেটিং প্লেছ আছে তার মদ্ধে সবচাইতে ফাইবারে ইনকাম করা সহজ। শুধু কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে। আমার upwork, guru, PHP, freelance, elance এ একাউন্ট আছে বাট সেখানে কাজ আমি পাই না আপওয়ার্কে কাজ মাসে ২ টা ১ টা পাই কি পাইনা। কিন্ত ফাইবারে দিনে ৫ - ৬ টা কাজও পাইছি। তাও আমি খুব ভালো মানের ডিজাইনার না। আশা করি আপনারা আপনাদের অভিজ্ঞতায় আরো ভালো মানের কাজ পাবেন। এখানে আপনার যেকোন অভিজ্ঞতা শেয়ার করে কাজের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
আমার এক বন্দুর রিকুয়েস্টে আমি একটা টিউটরিয়াল বানাইছিলাম কিভাবে account create করতে হয়। আপনারা চাইলেও দেখেনিতে পারেন এখানেhttps://www.youtube.com/watch?v=lujanvuazt4 আশা করি এই ভিডিও টা দেখে মুটামুটি একটা ধারনা পাবেন। আর কি বুঝলেন আর কি বুঝলেন না আমাকে জানাবেন টিউমেন্টে।
তাই চাই আপনাদের মতামত___আপনার আগ্রহ জানিয়ে আমাকে টিউমেন্ট করবেন, আশা করি পরবর্তি টিউনে কিছু মুল্যবান টিপস উপস্থাপন করার চেস্টা করব।
সবাইকে জানাই আল্লাহ হাফেজ।

বাংলাদেশ ক্রিকেটকে নিয়ে প্রথম পূর্ণাংগ মোবাইল এপ্লিকেশন। আসাধারণ একটি Apps… সকল ভাইদের বলছি এই App টি একবার নিয়ে দেখুন কেমন। সাথে আছে Cricket এর মজার তথ্য নিয়ে আরেকটি Apps

বাংলাদেশের আবেগের আরেক প্রতিশব্দ যেন ক্রিকেট। রূপে-রঙে ক্রিকেটকে নিয়ে মাতামাতির শেষ নেই এই ষোল কোটি জনতার। ক্রিকেট পাগল এই জাতির জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিয়ে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নির্মিত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন “ক্রিকেট বাংলাদেশ”।

অনন্য সব ফিচার আর সেবার মানোন্নায়নের মাধ্যমে সেই উন্মাদনাকে অন্য রূপে নিয়ে গেছে “ক্রিকেট বাংলাদেশ”। বাংলায় লাইভ স্কোর, প্লেয়ার প্রোফাইল, ম্যাচ শিডিউল কিংবা নিউজসহ রয়েছে রকমারী সব ফিচার।
প্রথমেই নিচের লিনক থেকে App টি নামিয়ে নিন।
সোজাসাপ্টা আলো ফেলি সেই সব ফিচারের ওপরেইঃ
→ লাইভস্কোরঃ বাংলাদেশের সবগুলো ম্যাচের সরাসরি স্কোর আপডেট পাওয়া যাবে সম্পূর্ণ বাংলায়।
→ নিউজঃ বাংলাদেশের ক্রিকেট এবং ক্রিকেট দল সংক্রান্ত সর্বশেষ যে কোন খবর জানতে চোখ রাখুন এই ফিচারে।
→ টাইগার্সঃ পরিপূর্ণ স্ট্যাটিস্টিক্সসহ সকল খেলোয়াড়দের প্লেয়ার প্রোফাইল পাওয়া যাবে এখান থেকে।
→ ম্যাচফিকশ্চারঃ চলমান ও পরবর্তী সকল সিরিজের ম্যাচ শিডিউলসহ থাকবে সাম্প্রতিক অতীতের সকল ম্যাচের ফলাফলসহ তালিকা।
→ ভিডিওঃ বাংলাদেশের খেলার গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও খুঁজে পেতে খুবস হজেই ব্যবহার করুন এই অপশনটি।
→ ফ্যানজোনঃ টাইগারদের শুভ কামনা জানাতে কিংবা আপনার যে কোন সুচিন্তিত মতামত জানাতে ব্যবহার করুন “ফ্যান জোন” অপশনটি।
→ সোশ্যালঃ সামাজিক যোগাযোগের অপরিপূরক মাধ্যম ফেসবুকের যে কোন হালহকিকত জানতে বা পছন্দের খবরটি শেয়ার করে বন্ধুদের জানাতে ব্যবহার করুন সোশ্যাল।
সবশেষে থাকছে আপনার পছন্দ বা অপছন্দের ভিত্তিতে অ্যাপটিকে  রেটিং দেওয়ার সুবিধাও।

2. ক্রিকেটের অনেক মজার ঘটনা “ ক্রিকেটের মজার তথ্য ” নামক এন্ড্রয়েড অ্যাপসের মাধ্যমে।
নিচের লিনক থেকে নামিয়ে নিন।

কি কি জানত পারবেন।
টেন্ডুলকারের ব্যাট দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড
প্রথম বলেই বার বার কুপোকাত
ভুতুড়ে মিল
অ্যালেক স্টুয়ার্টের ম্যাজিক নাম্বার
0 তে ক্রিকেটের দুনিয়াতে কি হয়েছিলো
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ক্রিকেটার
একাধিক দেশকে প্রতিনিধিত্ব
ক্রিকেট দলে আত্মীয়তা
অন্য খেলায় খেলা ক্রিকেটার
প্রথম টিভি আম্পায়ার আউট
প্রথম ইনিংসের আক্ষেপ প্রথম হেলমেট পরে মাঠে নামেন যেই ব্যাটসম্যান
ক্যারিয়ারে কখনো শূন্য রানে আউট হননি
গভর্নর ক্রিকেটার
ব্রায়ান লারার অন্যরকম রেকর্ড
বিয়ের জন্য রেকর্ড হাতছাড়া
অদ্ভুত পুনরাবৃত্তি
একই বোলার পর পর দুটি ওভার বল
একই দিনে চারটা ইনিংস
একটি আইন এখনও বলবত আরও অনেক মজার মজার তথ্য ধন্যবাদ।
অনেক অনেক ভাল থাকবেন সবাই।

Sunday, November 29, 2015

বাংলাদেশি মূল্যমান ৯,৩১৭ টাকার Android অ্যাপ নিয়ে নিন একদম ফ্রীতে!! আর দেখে নিন কেন এত ঝাল এটার….z5

Unnamed
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই। techtunes তে আমার তৃতীয় টিউনে আপনাকে স্বাগতম। যাইহোক কাজের কথায় আসা যাক।
টিউনের হেডিং পড়েই বুঝে গেছেন অ্যাপ টার মাঝে মশলা বলতে কিছু আছে নইলে এতো দাম হবার কথা নয়। সাধারণত আমরা জানি এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন গুলো লিনাক্স ভিত্তিক হওয়ায় এন্টিভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়না কিন্তু বর্তমানে এড বা ম্যালওয়ার গুলো খুব ঝামেলা করে থাকে।এটির সমাধান ছাড়া ও এই অ্যাপের মাঝে রয়েছে বেশ কিছু চমকপ্রদ সব ফিচার যা আপনাকে মুগ্ধ করবেই,সাথে লাইফটাইম লাইসেন্স তো রয়েছেই
অ্যাপ পরিচিতি:
অ্যাপের নাম: Androhelm Antivirus
ভার্সন: v29!! latest
সাইজ: ৫.৬- এম্বি
প্লেস্টোর রেটিং: 4.8/5
প্লেস্টোর মূল্য: ১১৯$

━━━━━━━━━━━━━━━
ডাউনলোড লিংক
━━━━━━━━━━━━━━━

আসুন দেখি কি আছে এতেঃ
Antivirus : প্রথমেই আপনার ফোনটি স্ক্যান করে নিন। এই অপশন আপনাকে ম্যালওয়ার যুক্ত অ্যাপ শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।
Privacy Protector: এই সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন অ্যাপ কি পারমিশন নিয়ে আপনার সেটে অবস্থান করছে।যেমন Uc browser আপনার ফোনের তথ্য নিয়ে নিতে পারে এটা কি জানেন?তেমনি কোন অ্যাপ কে আপনি কি কি পারমিশন দিতে ইন্সটল করেছেন সেটা দেখতে পাবেন।
Call And Sms Filter: এই সার্ভিস টির মাধ্যমে আপনি অনাকাঙ্ক্ষিত কল ব্লক করতে পারবেন,এমনকি মেসেজ ও ব্লক করে রাখতে পারবেন
Anti theft: এটা নিয়ে সবাই কমবেশি জানি আমরা।এটা এক্টিভ থাকলে আপনার ফোন হারিয়ে গেলেও আপনি তার লোকেশন জানতে পারবেন।
Recommendations : এর মাধ্যমে অ্যাপ টি আপনাকে জানাবে স্মার্টফোন টি নিরাপদ রাখতে কি কি করা উচিত আর কি কি করা উচিত নয়।
Web Protections: এর মাধ্যমে অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখতে পারবেন।
Ad Detector: এই ফিচারটি আপনার সেটের এড আক্রান্ত হওয়া থেকে বাঁচাবে। এছাড়া কেস ক্লিনার,গুগল ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা,যেকোন অ্যাপ স্ক্রিন পাসওয়ার্ড দিয়ে লক, Remote Lock করে রাখা সহ অনেক ফিচার পাবেন এই অ্যাপটিতে।
মোদ্দাকথা: এই অ্যাপ টায় যে দিকনির্দেশনা দেয়া আছে সেটা অনুসরণ করলে আপনার সেট কক্ষণো ক্ষতির স্বীকার হবেনা।যদিও সেটা মানা বা না মানা আমাদের ব্যাপার।
আপনার জন্য কয়েকটি স্ক্রিনশটঃ
Androhelm Antivirus
Androhelm Antivirus
Androhelm Antivirus

পরিবার বা গার্লফ্রেন্ড এর ফোনের ওপর নজরদারি রাখতে চান? তাহলে টিউনটি দেখুন। z5

কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহ্‌র রহমতে ভালো আছেন। আমি ও ভালো আছি। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করবো খুবই  কাজের একটি অ্যাপ।
দিন দিন স্মার্ট ফোন আমাদের জীবনের একটি অংশ হিসেবে রূপ ধারণ করেছে। তবে এটি যেমন অপকারি তেমনি এর কিন্তু উপকারি দিক গুলোও রয়েছে। যেমন ইদানীং একটি অ্যাপ্লিকেশন বের করা হয়েছে প্রিয়জনদের উপর নজরদারি করার জন্য। সব চেয়ে বড় গুরুত্ত পূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে  অভিভাবকরা নিজের মেয়েকে নিয়ে বেশি চিন্তা করে ও বাজে কারো সাথে মিশছে না তো? এটাই ভাবতে থাকি সারাক্ষন। আপনি নতুন প্রেম করছেন বা আপনার কারো সাথে বিয়ের আংটি আদান প্রদান হয়েছে? এবং আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটিকে নিয়ে সব সময় চিন্তিত? তাহলে আপনার এখন থেকে আর চিন্তা নেই।
এই অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে আপনি আপনার প্রিয়জনের ফোনের এসএমএস, কোথায় কোথায় ফোন করলো,  ফেসবুকে কার কার সাথে চাট করলো, ওর ফোনের কন্টাক্ট এ কার কার নাম্বার রয়েছে, এমনকি বর্তমানে সে কোথায় রয়েছে এবং কোথায় যাচ্ছে? এ-সব কিছু কন্ট্রোল করতে পারবেন।
এক নজরে অ্যাপ্লিকেশনটি একবার দেখে নিন।
তবে রক্ষা যে এই এক্সেসটি পেতে আপনাকে আপনার প্রিয়জনের মোবাইলেও এই অ্যাপ্লিকেশনটি ইন্সটল করতে হবে। মানে দুই পক্ষের ফোনেই এই অ্যাপ্লিকেশনটি থাকতে হবে। এবং এক বার ইন্সটল করার পর আটোমেটিক একটি আইডি তৈরি হবে এবং প্রথম বারের মতো এক্সেস চাইবে। একবার এক্সেস দেওয়া হয়ে গেলে আপনার আর কোন চিন্তা  নেই। মানে এখন থেকে ও আপনার কন্ট্রোল এ চলে আসলো।
তবে অনেকে এই কাজটি আপনার পার্টনারকে না জানিয়ে লুকিয়ে তার ফোন ইন্সটল করে এক্সেস করিয়ে নিতে পারেন, তবে সে এই অ্যাপ্লিকেশনটি সম্পর্কে না যা জানে? তাহলেই আপনি এই কাজটি করতে পারবেন। আপনি অ্যাপ্লিকেশনটি ইন্সটল করার পর হাইড করে দিতে পারেন।
আর যারা জানে তারাও বাধ্য হয়েই আপনাকে তার মোবাইলে এই অ্যাপ্লিকেশনটি ইন্সটল করে এক্সেস দিতে বাধ্য  কেননা  আপনি তার ভাল চান। গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপটির দাম $4.32 এবং রেটিং ও ভাল।
অ্যাপটির ডাউনলোড লিঙ্ক -  Couple Tracker - Phone monitor pro.apk - 3.1 MB
তো বন্ধুরা আজ কে এই পর্যন্ত আবার অন্য কোনো দিন হাজির হব অন্য কোনো টিউন নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।

আপনিও মিথ্যাবাদী হয়ে যাচ্ছেন না তো? z5


কান নিয়েছে চিলে শুনে চিলের পিছনে দৌড়ানোটা নির্বোধের কাজ হিসেবেই আমরা ভাবি। কিন্তু যারা 'চিলে কান নিয়েই গেছে' এটা বলে বেড়ান তারা কোন শ্রেণীর নির্বোধ সেটা বিবেচ্য বিষয়। আমরা সাধারণ মানুষ। কোন কিছু শুনলেই সহজে বিশ্বাস করি। আর যদি সেটা আমার যুক্তিহীন সংকীর্ণতার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে মিলে যায় তাহলে তো কথাই নেই। কয়েকদিন আগে মাশরাফিকে নিয়ে হয়ে গেল তোলপাড়। তিনি সুরঞ্জিত সাহেবকে প্রতিউত্তর করেছেন... ইত্যাদি ইত্যাদি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সেন্সরবিহীন তথ্য আদান প্রদানের কারণে ভূয়া তথ্য তৈরী করা এবং প্রচার করার যথেচ্ছা সুযোগ রয়েছে। কোথায় একটা ছবি, ভিডিও তথ্যসূত্রহীন কিংবা দূর্বল তথ্যসূত্র সম্বলিত সংবাদ এসেছে ব্যস, উঠেপড়ে লেগে গেলাম সেটা প্রচার করতে। এটাকে কেউ ঈমানী দায়িত্ব, কেউ সামাজিক দায়িত্ব কেউবা মানবিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করে প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কিন্তু একটু খেয়াল করুন। পবিত্র কুরআনে সুরা হুজুরাতের ৬ নং আয়াতে বলা আছে-হে বিশ্বাসীগন, যদি কোন দুরাচারী ব্যক্তি কোন খবর নিয়ে আসে তাহলে তা যাচাই করে দেখো। যাতে এমন না হয় যে ( সে খবরের উপর ভিত্তি করে) তোমরা কোন জনগোষ্ঠির ক্ষতিসাধন করলে। আর পরবর্তীতে এ জন্য পরে তোমরাই অনুতপ্ত হলে। 

আপনি কাকে কতটুকু বিশ্বাস করবেন, সেটি নিজেকেই নির্ধারণ করতে হবে। সামাজিক মাধ্যম কিংবা টিভি চ্যানেল এবং সংবাদপত্র যা-ই হোক, প্রত্যেকের সংবাদের সত্যতার শতাংশ আছে। অর্থাৎ কেউ পুরোপুরি সত্য দাবি করলেই সত্য হয়ে যায় না। কিন্তু আমাদের পক্ষে সত্যিকারের সত্যি'টি বের করে আনা খুব কঠিন। যেমন আপনার পছন্দের মিডিয়া ওপরের ছবির ডান পাশের অংশটি দেখাচ্ছে নাকি বাম পাশের অংশটি দেখাচ্ছে সেটি জানা দুস্কর। সেজন্য যে কোন পত্রিকা, চ্যানেল, অনলাইন নিউজের সত্যতার পার্সেন্টেজ গড়ে কত সেটা যথাসম্ভব যাচাই করে নেয়া দরকার। 

উপরের ছবিটি মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমের পক্ষপাতদুষ্টতার উৎকৃষ্ট নমুনা। 'মার খায় যে, দোষীও হয় সে'- অবস্থাটা এমন দাড়িয়েছে। তাই অনলাইনে একটি ছবি কিংবা প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে এখন ভিডিও দেখেও কোন কিছু বিশ্বাস করার আগে একটু বিশ্লেষণ করে নিতে হবে। যাচাই বাছাই করার দায়িত্ব আপনার বিবেকের। কে সত্য বলছে সেটা যাচাই করার ক্ষেত্রে হযরত লোকমানের একটি অসাধারণ উক্তি আছে। তিনি বলেছেন- যদি কোন লোক তার একটি চোখ হাতে নিয়ে এসে অভিযোগ করে যে অমুক ব্যক্তি আমার চোখ তুলে নিয়েছে, তবুও অভিযুক্ত ব্যক্তির কথা না শুনে তুমি তার কথার উপরে সিদ্ধান্ত নিয়োনা। সুতরাং যারা ফেসবুক বা ব্লগে লেখালেখি করেন, কমেন্ট করেন, তাদের আরো সচেতন হওয়া উচিত। যেকোন সংবাদ দেয়ার আগে বা ব্লগ লেখার আগে নিজস্ব বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করে এর সত্যতা যাচাই করে নেয়া দরকার। আর যদি তা না করে খবর পেলাম তাই ছড়িয়ে দিলাম- এ টাইপের হয় আপনার স্বভাব তাহলে শেষের হাদীসটি আপনার জন্য। রাসুল সা. বলেছেন- কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে তাই (যাচাই বাছাই না করে) বলে বেড়ায়।

♣তোমারো লাগিয়া প্রাণ আমার কান্দেরে... প্রাণ বন্ধু ফেসবুকরে :( ♣z5

যে যাই বলুন আমি ফেসবুককে মিস করছি :(
আমি ঘড়ি ধরে হিসেব করলে ব্লগের চেয়ে ফেসবুকে সময় কম কাটাই । সেটা ব্লগের সাথে পরিচিতি হওয়ার পর থেকেই । হতে পারে অনেক সময়ই আমি ব্লগে অফলাইনে থাকি বিভিন্ন কারণে । আমি চাইলেই টর দিয়ে ফেসবুক চালাতে পারি...কিন্তু ফেসবুক নিয়ে ততটা উন্মাদনা আমার মধ্যে নেই । 

তবে কখনো টর দিয়ে ব্লগিংও করেছি ;)
আজ যখন সকালবেলা পুরান ঢাকার বংশালে গেলাম মাঠা খেতে ওখানকার পুকুর ঘাটে দুটো সাইনবোর্ড ঝুলছে। একটিতে পুকুরের চারপাশে এক চক্কর দিলে কতোটুকু হাঁটা হবে আর তিন চক্কর দিলে কতোটুকু হাঁটা হবে তার খতিয়ান দেয়া...আর হাঁটা যে স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো তাও সেখানে লেখা । সেটা দেখেই দিলাম বিশাকার পুকুরের চারপাশে এক চক্কর । ওখানকার পঞ্চায়েত বেশ কাজের মনে হলো । অনেক সময়ই সরকারী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম অনেক বেশি ভালো থাকে...ওদের দেখে তাই মনে হলো ।
কিন্তু ছবি তুলতে গিয়ে মন খারাপ হলো... হায়! এই ছবি আমিতো ফেসবুকে শেয়ার করতে পারবো না...
ঃ তাহলে ব্লগে করছেন না কেন আপু?
> ব্লগে কি রোজ রোজ দুটো/পাঁচটা ছবি দিয়ে পোস্ট করা সম্ভব নাকি ?
ঃ সেই ছবির সাথে কিছু বর্ণনাও জুড়ে দিন তাহলেইতো হলো ।
>নাহ, আমার ব্লগে যারা মন্তব্য করে আমি চেষ্টা করি তাদের সবার ব্লগে তারা যা লিখলেন তাতে নিজের মতামত দিতে । এতো ঘনঘন পোস্ট দিলেতো এই কাজটা করতে পারবো না । 
ঃ কেন পারবেন না আপু ? খুব বড় মন্তব্য না দিয়ে শুধু ++++ দিবেন বা শর্টকাটে এটা সেটা বলে আসবেন তাহলেই তো হলো । আর সব পোস্টই কি পড়ার মতো নাকি যে তা শব্দ ধরে ধরে পড়তে হবে ? ফিউশন ফাইভয়ের সেই পোস্টের কথা মনে নেই...পোস্ট না পড়েও মন্তব্য করার উপায় ;)
> এই কাজটি আমি পারি না :(
আমি পোস্ট পড়েই মন্তব্য করি । 

ফেসবুকে এক লাইনের সাহায্য চেয়ে পোস্ট দিতে পারতাম, ব্লগে দিলে গালি খেতে হবে :(

কে আমাকে এখন বাচ্চাদের দেখার মতো মানে পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার মতো ভালো, মজার সিনেমার নাম বলবে? ব্লগারদের কি সেই সময় আছে ? :( :(( 

ফেসবুকে যা পারতাম ব্লগে তা পারিনা । আমি ফেসবুকে হোমপেজে যেতামই না পারতপক্ষে। কেননা ফ্রেন্ডলিস্টের কেউ যখন গালি সমৃদ্ধ বা ফাউ প্যাচাল পাইরা স্ট্যাটাস দিচ্ছে সেগুলো দেখার, দেখে পড়ার বা পড়ে মন্তব্য করার আগ্রহ জাগে না । 
ঃতাহলে তাদেরকে আনফ্রেন্ড বা ব্লক করে দিরেই পারেন !
> নাহ্ তাদের মধ্যেও কিছু ভালো গুণ আছে যেগুলোর প্রকাশ পেলে যেনো দেখতে মিস না করি তাই থাকুক না তারা ফ্রেন্ড লিস্টে । তেমন মনে করলে করিতো আনফ্রেন্ড বা ব্লক...তবে সেই অভ্যাসটা আমার তেমন নেই ।

তবে মুনির হাসান স্যারের পোস্টগুলো মিস করছি। উনি ব্লগেও কখনো কখনো লিখেন কিন্তু ফেসবুকে উনাকে যতটা সরব দেখা যায় ব্লগে ততটাই নীরব তিনি ।

֍֍֍আপডেট : মুনির হাসান স্যার ব্লগে পোস্ট দিয়েছেন B-) 
প্রোগ্রামিং আড্ডা

ব্লগার রেজোওয়ানা প্রত্নতত্ত্ব বা নিজের পরিবারের বিশেষ করে বাচ্চার অনেক কিছুই শেয়ার করতেন...আমি মিস করতাম না সেগুলো দেখতে...পিচ্চি সোহা বাবুটা হেব্বি গুলুগুলু ।

শাহ আজিজ ভাই হঠাৎ করেই অভিমান করে ব্লগ ছাড়লেন...উনাকে পেতাম নিয়মিত । 
শান্তদাকেও দেখতাম নিয়মিতই কিন্তু উনি ব্লগে কেন সময় দেননা সেকথা এই দফায় গুগল প্লাসে জিজ্ঞেস করবো ।

সামির তুষার নামে এক কিউট পিচ্চি ছিল, যাকে নিয়মিত আমার স্ট্যাটাসে, ছবিতে পেতাম...পিচ্চিটা ব্লগার না, না হলে ওকে ব্লগে লিখতে বলতাম ।

স্বপ্নচারী গ্রাণমাকে কখনো কখনো ফেসবুকে দেখা গেলেও ব্লগে যেনো উনার কতো আলিস্যি...কতো দিন বললাম লিখুন নিয়মিত। যারা ভালো লিখে তারা নিয়মিত লিখলে তাদের মন অনেক চাঙ্গা থাকে ।

ইসহাক খান ব্লগ ছেড়েছেন কেন জানিনা...আগে ফেসবুকে তবুও উনাকে দেখতাম । এতোদিনে উনি পুরোদস্তুর ইঞ্জিনিয়ার বনে গেছেন । হয়তো আমেরিকায় উচ্চতর ডিগ্রি নেবার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হয়তো ব্লগে জানানোর সময়টুকুও উনার হবে না। কিন্তু এই ভার্চুয়াল লিখালিখির জগতটাতে অনেকেই আছে যারা কোন স্বার্থ ছাড়াই নীরবে আপনার পাশে থাকবে । সবাই কোন জাগতিক স্বার্থের জন্যে মিশে না ।

মিস করছি অনুপ্রাণন প্রকাশনীর কুহক মাহমুদকে... উনার সাথে আমার কথা হয়ে আছে ব্লগারদের লেখা নিয়ে একটি সংকলন বই এই মেলাতে আনা যায় কিনা । ফেসবুকটা না থাকলে সব আপডেট হবে কেমন করে ? ব্লগে না হয় পোস্ট দিয়ে লেখা চাইলাম, কিন্তু আরো অনেক কিছুই ফোনে বা সামনাসামনি হওয়া সম্ভব না সময়ের অভাবেই মূলত যা ফেসবুকে হতে পারতো । আমি যে এই কাজটা করতে চাই । 

আমি প্রায়ই ফেসবুকে এক/দুই লাইনের স্ট্যাটাস দিতাম যা শুধু মাত্র ফেসবুকের টাইম লাইন ছাড়া দেয়া সম্ভব না :(আমার ভেতর থেকে আসেই না :(( 

আমার বেশ কিছু "নিজে পড়ি" "নিজে করি" টাইপের কাজ ফেসবুকে "অনলি মি" করে রাখা । যেগুলোর কোন ব্যাকাপ নেই আর কোথায়ও । ব্লগে একটা পোস্ট দিব বলে দুই বছর থেকে তথ্য যোগার করছি। আজ পোস্ট দিব, কাল পোস্ট দিব করতে করতে ফেসবুকই নেই ...আসলেই সময় গেলে সাধন হবে না ! 

বি:দ্র: আপনার প্রয়োজনীয় ছবি তথ্যের সংরক্ষণে ওয়ার্ডপ্রেসে বা জিমেইলে নিজস্ব ব্লগস্পট খুলে নিতে পারেন । নিজের ড্রাইভেও কপি রাখবেন অবশ্যই । পেন ড্রাইভে বেশি জরুরী গুলো রেখে দিন । যদি পারেন খূব প্রয়োজনীয় লেখা গুলো যেগুলি হারালে কাঁদতে বসবেন সেগুলি প্রিন্ট করে প্যাক করবেন তারপর নিজের ঠিকানাতে পোস্ট অফিস থেকে সিল গালা মেরে (পোস্ট করার দরকার নেই) আলমারিতে ভরে রাখুন । কপি রাইটের জন্যে নো চিন্তা এতেই কাজ হবে ।

ফেসবুকে কেউ কেউ আছেন চরম শুভাকাঙ্ক্ষী । রাতে ডিনার করেছি কিনা ইনবক্সে জিগাবে, জবাব দিলেই পরের প্রশ্ন...জবাব দিলেই পরের প্রশ্ন...
মনে মনে কই ইনবক্সে আজাইরা আলাপের শুভাকাঙ্ক্ষী আমার লাগবো না । আমি ইনবক্সে গেজাইতে পছন্দ করি না । যেমন মেসেঞ্জার, ভাইবার, হোয়াটসআপ কোনদিন আমারে টানেনাই ফাউ গেজাইতে । তাই কেউ এসবের কথা জিজ্ঞেস করলেও "আমার মোবাইলে নেই" "আমি পারি না" বলে আমার অপারগতা প্রকাশ করি ।
জিমেইলে কেউ কেউ ছিল, গান বা কবিতা নিয়ে কথা হতো ।

কিন্তু ফেসবুক যে কতো ভদ্র...
সাইনইন করলেই গুড মর্নিং বলে সম্ভাষণ জানাতো । 
বিদায় কালে কি সুন্দর করে বিদায় জানাতো...
জিজ্ঞেস করতো এখন আমার অনুভূতি কী?
আমি কি চাইলেই আমার তেড়াবেড়া চেহারা চুনকাম করে, ফটোশপে মেরে চোখ ধাধানো করে ব্লগে পোস্টাইতে পারবো? ব্লগাররাতো আমারে কমেন্টাইয়াই পচাইয়া ফেলবো !
কিন্তু ফেসবুকে আপলোড করলে...আহা সেই কি স্তুতি ! যেনো আমি অপরুপা, অনন্যা :``>> 

আমিতো প্রায়ই ফেসবুকে ছবি আফলোড করতাম । 
আরে ধুর আমার নিজের না। যেখানে যা পেতাম তা্রই । এগুলো এখন পচবে ! :(

এই সব কথা ফেসবুকে "অনলি মি" করে কতোদিন ডায়েরি লেখার কাজ করে মন হালকা করছি
এখন কী করবো ??????

"আরজু পনি" নামে গুগল প্লাসে আছি। থাকলে আওয়াজ দিয়েন । 8-|

উট পাখির মতো আচরণে সমস্যাকে পাশ কাটিয়ে অন্যায় দর্শনে নীরব থেকে নন্দলাল হয়ে বেঁচে থাকুন আজীবন z5


নন্দলালতো একদা একটা করিলো ভিষণ পণ,
যা করে হোক দেশের তরে রাখিবে সে জীবন।

অথবা
করিতে পারিনা কাজ, সদা ভয় সদা লাজ
সন্ধেহে সংকল্প টলে, পাছে লোকে কিছু বলে।

যে জেলে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে মাছ শিকার করে সেও শিকারী আবার যে শিকারী হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে সান্ত পুকুরে ছিপ দিয়ে মাছ শিকার করে তিনিও শিকারী। দু'জন মাছ শিকারী হলেও তাদের মাঝে যে কত যোজন ব্যবধান তা অতি সহজেই অনুমেয়। দুজনের সাহস ও মনো্বলে আকাশ পাতাল পার্থক্য। আমাদের সমাজে এমন ধারার অনেক মানুষ আছেন যার নিজেকে বড় একটা কিছু মনে করলেও যখন সমস্যা দেখা দেয় তখন পাশ কাটিয়ে নিজের গা বাচিয়ে চলতো পছন্দ করেন। তারা ঝড়ো হাওয়ায় নদীতে নৌকার পাল তুলতে সাহস করেন না। তারা সর্বদা সান্ত ও নীরব নদীর মাঝি সাজতে পছন্দ করেন। চলার পথে অন্যায় বা অসংগতি দেখলে তা এড়িয়ে চলতে চান। অথচ মুখে বড় বড় বুলি কপচান। এইটা করা উচিত এমন করা ঠিক হয়নি, এমন করলে ভালো হতো এই সব নীতি কথা তার অন্তরেই থেকে যায়। প্রকাশ করার সাহস করেন না। 

কারণ প্রকাশ হলে যদি "পাছে লোকে কিছু বলে" তাই তারা সর্বদা সেই দলে থাকে যে দল ভারী দেখেন। সমাজের এই নন্দলালরা মানুষের যেমন কোন উপকারে আসেনা তেমনি অপকার করার ক্ষমতাও রাখেনা। মাকাল ফলের মতো এরা ক্ষনিক সময়ের জন্য শুধু সমাজের শোভা বর্ধনের যোগানদাতা। জবা ফুলের মতো, দেখতে সুন্দর হলেও গন্ধ নাই বলে সামাদর করেনা কেউ। নীরব কবি ও নীরব প্রেমের কোন মূল্য এই ধরাধামে নাই। কবি যদি তার কাব্যকে খাতায় লিপিবদ্ধ না করেন, আর প্রেমিক যদি তার মনের কথা তার প্রেমিকাকে না বলেন তা হলে হিসেবের খাতা শূণ্যই রয়ে যাবে। সকল আশা সূদুরে বিলীন হবে। তবে কিছু কিছু সময়ে এই সকল নন্দলালরা ভিষণ বিপজ্জনক হয়ে ওঠে, কারণ তাদের চিন্তা, চেতনা প্রকাশের ও প্রতিবাদের সাহস নাই বলেই কিছু ন্যায় অন্যায় পার্থক্য করার চেয়ে দলভারীদের অন্ধ সমর্থনে আগ্রহী হয়ে ওঠে। আর এই দলভারীদের কারণে কিছু নীতিবান ও প্রতিবাদী মানুষ কোন ঠাসা হয়ে পড়ে। আর এমন দেখতে দেখতে মানুষ একসময় নিজেকে গুটিয়ে নেয় যার কারণে অন্যায়ের প্রতিবাদ কিংবা অসংগতি ও ভুলে ভরা সমাজের শুদ্ধিলাভ হয়না।

প্রতিবাদি মানুষগুলো অশুভ ও নির্বোধ মানুষের পেশি শক্তির কাছে মার খেয়ে নিজেকে উট পাখির পর্যায়ে নিয়ে যায়। সে তখন প্রতিবাদ করার সাহস হারিয়ে ফেলে, বিপদের গন্ধ পেলে মাথা নিচু করে পাশ কাটিয়ে চলতে বাধ্য হয়। এটা কী কোন সভ্য সমাজে এবং সভ্য মানুষের কাম্য হতে পারে? আমরা চাই বা না চাই, পছন্দ করি আর নাই করি সমাজে বোধ শক্তি বিবর্জিত এই মানুষগুলো সমস্যা কিংবা অন্যায় দেখলে কোন প্রতিবাদ করা থেকে বিরত থাকে, নিজেকে আড়াল করে। প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে ফেলে সমাজের জঞ্জাল হয়ে ঘরের কোনেই নিজেকে আড়াল করতে পছন্দ করে। তাই নির্ঝাঞ্ছাট জীবন যাপন করতে উটপাখির মতো সব কিছু পাশ কাটিয়ে এবং সমস্যা থেকে অন্ততঃ একশত হাত দূরে থাকুন আর আজীবন বেঁচে থাকুন নন্দলাল হয়ে। আর তখন সকলে বলিবে ভ্যালারে নন্দ বেঁচে থাক চির কাল।

'বাঘের বাচ্চা' যদি গালি না হয়, 'কুকুরের বাচ্চা' কেন গালি হবে? z5



কিছুদিন আগে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে অনেক গঠনমূলক আলোচনা করছিলাম। অলোচনার মূল বিষয় অবশ্য ছিল মেয়েদের গঠন নিয়ে, মানে, তাদের চারিত্রিক গঠন নিয়ে। জানি না, কাকতালীয় নাকি কোকিলতালীয়ভাবে মেয়েদের পরেই কুকুরের চারিত্রিক গঠন নিয়েও অলোচনা শুরু করলাম। কুকুরকে মনে করা হয় পশু জাতির মধ্যে মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু। পশ্চিমা দেশগুলোতে তো অনেক স্বামী তার স্ত্রীর চেয়েও কুকুরকে বেশি ভালোবাসে। এ নিয়ে অনেক গল্প-কৌতুকও আছে। 
বিদেশের কথা বাদই দিলাম। আমাদের দেশেও অনেকে কুকুরকে অনেক ভালোবাসে। গ্রামে দেখা যায়, একটা কুকুরকে পরিবারের সদস্য হিসেবে দেখা হয়। কুকুর সেই পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে। সেই পরিবারের কেউ বিপদে পরলে কুকুর তাকে বাঁচাতে ঝাঁপিয়ে পরে। কুকুরের সাথে মানুষের বন্ধুত্ব নিয়ে অনেক গল্প-সিনেমা আছে। আমার ফ্যাবরিট Hachi: A Dog's Tale। মুভিটা যারা দেখেননি, দেখতে পারেন, চোখে জল চলে না আসলে আপনার মধ্যে সমস্যা আছে। 

ফিরে আসি আসল কথায়। আমরা কথা বলার সময় রূপক অর্থে অনেক পশুপাখির নাম ব্যবহার করি । যেমন, কেউ যদি অনেক লম্বা হয় তাহলে আমরা বলি ’জিরাফের মত লম্বা’, কেউ যদি অনেক মোটা হয় তাকে আমরা বলি ’হাতির মত মোটা’, কেউ যদি কোন কথা দেরিতে বুঝে তাহলে আমরা তাকে বলি ’গন্ডারের চামড়া’। কারও কণ্ঠস্বর যদি অনেক সুন্দর হয় তাহলে তাকে বলি ’কোকিলের মত কণ্ঠ’, অনেকে আবার তাদের প্রেমিকা বা স্ত্রীকে আদর করে টিঁয়া-ময়না-ঘুঘু বলে ডাকে। আবার কেউ যদি অনেক বড় কোন কাজ করে ফেলে তাহলে তাকে আমরা বলি ‘বাঘের বাচ্চা’ অথবা ‘সিংহ’ ইত্যাদি। এমনকি আমাদের দেশের ক্রিকেটারদেরও আমরা টাইগার বা বাঘ বলে ডাকি। আর এদের মধ্যে যাকে মনে করা হয় মানুষের সবচেয়ে ভালো বন্ধু তার নাম আমরা ব্যবহার করি গালি হিসেবে!
বাংলাদেশের কথা বাদই দিলাম, পশ্চিমা দেশগুলোতেও কুকুরের নামকে ব্যবহার করা হয় গালি হিসেবে। আমি একজনকে জিজ্ঞেস করলাম ‘বাঘের বাচ্চা’ যদি কোন গালি না হয়ে বাহাবা হয়ে থাকে, তাহলে ’কুকুরের বাচ্চা’ কেন গালি হবে?’’ 
সে বলল, বাঘ হল শক্তির প্রতীক, তাই কাউকে শক্তিশালী বা সাহসী বোঝাতে এটা ব্যবহার করা হয়! আমার কথা হলো, কুকুরের নাম তো মানুষ বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারতো। বাঘকে এতো সম্মান দেখানোর কী আছে, জঙ্গলে একা পেলে সে কি আমাকে ছেড়ে দিবে? 
দেখা গেল আমার বন্ধু আমার অনেক বড় একটা উপকার করেছে আমি তাকে বললাম, ‘দোস্ত, তুই আজকে কুত্তার মত একটা কাজ করলি, তুই আসলেই একটা কুত্তার বাচ্চা!’ 
এই যে আমি কুকুরের হয়ে বিনে পয়সায় এতো উকালতি করলাম, এর পরও যদি কেউ আমাকে কুকুরের বাচ্চা বলে তাহলে আমিও হয়তো রেগে যাবো, বাঘের বাচ্চা বললে খুশি হব কারণ আমরা সবাই শক্তের ভক্ত, নরমের যম!

সহজ সরল মানুষ। z5


আবেগ-প্রবন মানুষগুলোর মাঝে উল্লেখযোগ্য একটি সমস্যা হলো তারা অনেক বোকা। এদেরকে যদি কেউ একটু ইনিয়ে বিনিয়ে মিষ্টি করে কথা বলে তাকে সে আপনজন ভাবতে শুরু করে।তবে হ্যাঁ এই সমস্ত আবেগ-প্রবন মানুষগুলোর মাঝে খুব সহজেই মানুষকে আপন করে নেওয়ার আলাদা একটা ক্ষমতা থাকে...ঠিক তেমনি এরা শত কষ্টের মাঝেও প্রিয় মানুষটিকে হুট করে ছাড়তে পারেনা।
.
সম্পর্কের শুরুতে এদেরকে আপনি যাই বলেন না কেনো সেটাই বিশ্বাস করে মনে মনে বাস্তবতার বীজ বপন করে।এটা মূলত হয় তার সাবকাস মাইন্ড থেকে..মানুষটি নিজেও টের পায়না সে আপনাকে নিয়ে কতোটা কল্পনাবিলাসী।তাই দয়া করে এই মানুষগুলোর আবেগ নিয়ে কখনো খেলতে যাবেন না। খেলার যদি খুব ইচ্ছা হয় বাজার থেকে খেলনা কিনে ইচ্ছে মত খেলুন তবুও মানুষের মন নিয়ে নয়।
.
যদি কোনো মানুষকে প্রচন্ড রকমের ভালবাসেন তাহলে তাকে নিয়ে আগে কিছুক্ষন ভাবুন...হুম তার হাতটি ধরার আগে চিন্তা করে নেন সারাটি জীবন মানুষটার হাত ধরে রাখতে পারবেন কিনা। যদি না পারেন তাহলে ক্ষনিকের জন্য হাতটি ধরে মিথ্যে আশ্বাস দিবেন না। সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যাটা হয় তা হল-ফ্যামিলি প্রব্লেম...বাবা-মা মানছে না..বাবা মেয়ে ঠিক করে রেখেছে...কিংবা তুমি দেখতে কালো..কম শিক্ষিত...তোমার ফ্যামিলির অবস্থা আমাদের থেকে খারাপ...তোমাদের এটা নেই কেন...ওটা কম কেন...ব্লা..ব্লা আরো অনেক কিছু। আরে ভাই এটা তো একটা কমন প্রব্লেম...!!
.
সব সম্পর্কেই এমন দু একটা বাঁধা আসবেই...আর সেটা যদি আপনি সমাধানে অক্ষম হন তাহলে মানুষটির হাত ধরার দরকার নেই...ভদ্র ছেলে-মেয়ের মত চুপ চাপ ঘরে বসে থাকেন...অযথা কোনো মানুষের জীবনে আলোর প্রদিপ হয়ে গিয়ে টুপ করে নিভে যাওয়ার কোনো মানে হয়না। অাবার অনেকেই আছে এই পরিস্থিতিতে পড়ে কমন যে সব ডাইলোগ দেয় তা হল-"জান আমি কিন্তু সত্যিই তোমাকে ভালবাসি তবে......এখানেই ফুলষ্টপ হয়ে যায়...এই "তবে" আর শেষ হয়না। একটি সম্পর্কের ইতি টানতে এই তবে" টাই অনেক কিছু।
.
যদি এমন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে প্লিজ মানুষটির হাতটি ধরে মিথ্যে স্বপ্ন দেখাবেন না। আপনি হয়তো পরিস্থিতিতে পরে দৃঢ মনে মানুষটিকে এই শান্তনার বানী শুনিয়ে দিলেন কিন্তু কখনো কি মানুষটির জায়গায় থেকে আবেগ বোঝার চেষ্টা করেছেন.? নাহ করেন নি...!!
এ হলো সেই মানুষ যে আপনার সাথে সাতশ রাত জেগে কথা বলে বলেছে আর আপনার প্রতিটা কথায় সে হারিয়ে গেছে কল্পনাপুরীতে।
.
আপনি যখন বলেছেন চান্দের দেশে আমাদের একটা ছোট্র কুঁড়েঘর হবে...আর সে তখন চট করে বলেছে সেই কুঁড়েঘরে আমি তুমি আর আমাদের সুন্দর একটা মেয়ে থাকবে... চিন্তা করতে পারবেন আপনি-যে মেয়েটার এখনও বিয়ে হয়নি সে আপনাকে নিয়ে কতোটা গভীর চিন্তা করলে এমন স্বপ্ন দেখতে পারে...হু সত্যিই এই মানুষগুলো আবেগপ্রবন...এরা খুব সহজেই সব কিছু বিশ্বাস করে নেয়।
.
আপনি খেয়াল করে দেখবেন প্রেমের প্রথম স্টেজে আপনি যে কথাগুলো মানুষটিকে বলেছিলেন এখনো সে এগুলো মনে রেখেছে...শুধু মনেই রাখেনি এগুলো নিয়ে স্বপ্নও দেখেছে অনেক।তাই এই মানুষগুলোকে কখনো খেলনা ভেবে তাদের ছোট্ট-ছোট্র আবেগ নিয়ে খেলবেন না দয়া করে।
.
আবার অনেকেই আছে পরিস্থিতির কথা মুখ ফুটে বলতে না পেরে মানুষটাকে এভোয়েট করা শুরু করে কিংবা সামান্য কথায় প্রচন্ড পরিমান রেগে যায়। হঠাৎ করে বদলে যাওয়া এই মানুষটাকে নিয়ে তখন অপর জনের খটকা লাগে। দিনের পর দিন কষ্ট পেতে থাকে...দরজার ছিটকেনি লাগিয়ে স্যাড ইমোশনের গানগুলো বার বার শুনে আর চোখের জলে বালিশ ভেজায়। বাহিরে থেকে এসব আবেগ প্রবন মানুষগুলোকে এমন দেখলেও তাদের ভেতরের সুপ্ত অভিমানটা যদি কখনও জেগে ওঠে তখন তারা নিশ্চুপে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে..!!
.
এই সব মানুষগুলোকে সান্তনা দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই...ধরুন আজকে রাতে আপনার বাবা হার্ট-এটাকে মারা গেছে..এখন যদি আমি আপনাকে গিয়ে বলি-দেখো মানুষ মাত্রই মরনশীল...আমাকে তোমাকে সবাইকে এভাবে মরতে হবে..এই কথাটি শুনে কি আপনার কান্না বন্ধ হবে.?
হবেনা...কারন আমরা সবাই মরে যাবো কথাটি আপনি নিজে জানলেও আবেগ ধরে রাখতে পারেন না। কান্নার মাধ্যমে তা প্রকাশ করেন।
.
তাই এই সব মানুষদের প্রতি আমার একটাই অনুরোধ ছোট্র ছোট্র রাগ অভিমান গুলো কখনো জমিয়ে রাখবেন না...কান্নার মাধ্যমে সাথে সাথে তা নিঃশ্বেস করে দিন...কিছুদিন আগে মেঘলা নামে এক আপু আমাকে বলেছিল-"ভাইয়া আমার ভালবাসার মানুষটা না অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে...আমার মনে হয় ওর বাসা থেকে ওর বিয়ে ঠিক হইছে..তাই ও আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছে। এখন আমি কি করবো..ওকে না পেলে তো আমি বাঁচবোনা।
.
চুপটি করে কথাগুলো শুনে শুধু বলেছিলাম অনেক বেশি কান্না করো...দেখবে মনটা হালকা লাগবে...শুধু এ টুকুই...কারন আমি জানি তাকে যদি এই মুহুর্তে কিছু জ্ঞান দিতে যাই তাহলে তার কাছে তা করলার রসের থেকেও বিষাদময় মনে হবে।
.
সর্বদা পাশে থাকুন ভালবাসার মানুষগুলির...আর প্রান খুলে ভালবাসুন।

সংগ্রহীত